Thursday, January 25, 2018

বকফুল

বকফুল এর পরিচয়-

এই ফুলের বাংলা নাম- বক বা বকফুল (Sesbania grandiflora)- অন্যান্য নামের মধ্যে Agati,Agasti, Drigapalaka, Gaach-munga উল্লেখযোগ্য। এটি Fabaceae পরিবারের অন্তর্গত একটি উদ্ভিদ।
অন্যান্য প্রজাতির মধ্যে আছে - Sesban coccinea, Agati grandiflora, Coronilla grandiflora। বকফুলের আদি আবাস মালয়েশিয়া। ক্ষুদ্র আকৃতির পত্রমোচী গাছ। কাণ্ড সরল, উন্নত, ম্লান-বাদামি ও মসৃণ। যৌগিক পত্রটি পালকের মতো এবং আকর্ষণীয়, পত্রিকা আয়তাকৃতি ও গাঢ়-সবুজ। কোমল কলিগুলো বাঁকানো। প্রায় সারা বছরই ফুল ফোটে। ফল লম্বা, প্রায় গোল,বীজ থেকে সহজেই চারা হয়। বৃদ্ধি দ্রুত, এক বছরেই গাছ ফুল ও ফলবতী হয়।

বকফুল-

বকফুল মাঝারি ঝাড় জাতীয় বৃক্ষ। ফুলের আকার-আকৃতি গাছের ডালে বকের ঠোঁটের মতো বোঁটায় ঝুলে থাকতে দেখায় বলে এরকম নামকরণ। বাংলাদেশের প্রায় সব অঞ্চলেই বকফুল জন্মে থাকে। নানা রঙের থাকলেও সাদা, লাল, গোলাপি; এই ৩ রঙের বকফুলই দেখতে পাওয়া যায়। তবে বাংলাদেশে সাদা ও লাল রঙের বকফুল বেশি পাওয়া যায়।

বকফুল সবজি হিসেবে মুখরোচক, সুস্বাদু ও পুষ্টিকর। বকফুল বড়া, ভাজি, সবজি করে খাওয়া যায়। এটি দেহের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়, দাঁত ও হাড় মজবুত করে, ডায়াবেটিস ও রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখে। তাছাড়া খাদ্যনালির ক্যান্সার প্রতিরোধ করে ও আয়োডিনের ঘাটতি পূরণেও সহায়ক।

গুনাগুণ
বকফুলের বড়া বাংলার মানুষের কাছে একটি পছন্দের খাবার।এর ঔষুধি গুণ আছে প্রচুর । জ্বর, ফোলা ও ব্যাথাবেদনা সারাতে, বাতের ব্যথায় শিকড় চূর্ণ জলের সাথে গুলে ব্যাথা জায়গায় ঘষলে আরাম পাওয়া যায়। চুলকানি-পাঁচড়া সারাতে কম্বোডিয়ায় বাকল চূর্ণ লাগানো হয়। কৃমি ও জ্বর সারাতে পাতার রস খাওয়ানো হয়। গ্যাস্ট্রিক আলসার ও বুক জ্বালা নিরাময়, রাতকানা রোগের ঔষুধ হিসাবে গাছের পাতার রস ব্যবহার করা হয়, করেকোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে, চোখের স্নায়ু জোরদার করেবার্ধক্য ও হাড় দুর্বলতা প্রতিরোধ করতে বকফুল পাতার রস উপকারী।

Tuesday, January 23, 2018

দেবের অজানা জীবন কাহিনী

দেব

 জন্ম: ( 25 ডিসেম্বর 1982) চলচ্চিত্র জগতের একজন = অভিনেতা।তাঁর আসল নাম দীপক অধিকারী; যদিও "দেব" নামেই তিনি সুপরিচিত। তিনি অগ্নিশপথ চলচ্চিত্রের মধ্য দিয়ে বাংলা চলচ্চিত্রে পদার্পন করেন। তিনি বাংলা সিনেমার ও মারাঠি সিরিয়ালের একজন অন্যতম প্রধান অভিনেতা।

শৈশব ও শিক্ষা
দেব মহেশখালি নামক কেশপুরের এক ছোট গ্রামে জন্মগ্রহন করেন। তার পিতার নাম গুরু অধিকারী ও মাতার নাম মৌসুমী অধিকারী। দীপালী নামে তার এক বোন রয়েছে। দেবের ডাকনাম রাজু। দেব তার শৈশবের বেশিরভাগ সময় তার মামার সাথে চন্দ্রকোনায় কাটায়। তিনি বন্দ্রার পুরস্তম হাই স্কুল ও পরে পুনের বিদ্যাপীঠ বিশ্ববিদ্যালয় হতে কম্পিউটার প্রকৌশলে ডিপ্লোমা ডিগ্রী নেন।

টেলিভিশন
২০১১ সালের নভেম্বরে  রাজ চক্রবর্তীপরিচালিত ও সানন্দা টিভিতে সম্প্রচারিত ধারাবাহিক সবিনয় নিবেদন-এ তিনি অতিথি চরিত্রে আবির্ভূত হন। দেব তার রোমিও চরিত্রের বহিঃপ্রকাশ ঘটান "আমি রোমিও", "খোকাবাবু যায়", "গাল মিঠ্‌ঠি মিঠ্‌ঠি বোল্‌" ও "পাগলু থোড়া সা করলে রোমান্স" গানের সাথে নাচেন। পরবর্তীতে দেব টেলিগ্রাফ'কে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেন, "আমি নয়না ও জয়দীপ এর সুখী বিবাহিত জীবনের প্রার্থনা করি। পরবর্তীতে আবারও ২০১২ সালের মার্চ মাসে সানন্দা টিভিতে সম্প্রচারিত হোলির এক বিশেষ অনুষ্ঠান রঙের আনন্দে তেও তিনি আবির্ভূত হন।

২০১০ সালের এপ্রিলে এবং আবারও ২০১১ সালের ডিসেম্বরে তিনি মীরাক্কেল আক্কেল চ্যালেঞ্জার নামক জি বাংলায় প্রচারিত, শুভঙ্কর চট্টোপাধ্যায় পরিচালিত ও মীর আফসার আলী কর্তৃক উপস্থাপনা কৃত এক হাসির অনুষ্ঠানে অতিথি বিচারক হিসেবে আসেন।এছাড়াও তিনি দাদাগিরি সীজন ২, সীজন ৪, সীজন ৭ এ আসেন। তিনি ডান্স বাংলা ডান্সের প্রধান বিচারক ও কোচ হন, যে স্থানে পূর্বে মিঠুন চক্রবর্তী ছিলেন।

চলচ্চিত্রে অতিথি আবির্ভাব

দেব বহু চলচ্চিত্রে অতিথি চরিত্রে অভিনয় করেন। ২০০৯ সালে তিনি শ্রী ভেঙ্কটেশ ফিল্মস প্রযোজিত ও রাজ চক্রবর্তী পরিচালিত চিরদিনই তুমি যে আমার চলচ্চিত্রের "প্যান্টে তালি" নামক গানে বিশেষভাবে আবির্ভূত হন। গানটি ঐ সালের সেরা গানগুলোর তালিকায় প্রথমসারিতে ছিল।

একই বছরে তিনি কৌশিক গঙ্গোপাধ্যায় পরচালিত জ্যাকপট চলচ্চিত্রের "জীবনে কী পাবনা" গানের আইটেম গানে অংশ নেন। গানটি মূলত সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায় অভিনীত একটি চলচ্চিত্রের গান ছিল।

২০১০ সালে তিনি অভীক মুখোপাধ্যায় পরিচালিত একটি তারার খোঁজে চলচ্চিত্রে নিজের চরিত্রে আবির্ভূত হন।

২০১২ সালে তিনি সুজিত মন্ডল পরিচালিত বাওয়ালি আনলিমিটেড চলচ্চিত্রেও অতিথি চরিত্রে আবির্ভূত হন।


Sunday, January 21, 2018

অভিনেতা জিৎ-এর জীবন কাহিনী (Jeet)

ছোটবেলা 
৩০শে নভেম্বর ১৯৭৮ সালে কলকাতার এক অবাঙালী পরিবারে তার জন্ম হয়। সেন্ট জোসেফ মেরি স্কুল থেকে তিনি প্রাথমিক শিক্ষা গ্রহণ করেন এবং পরে ন্যাশানাল হাই স্কুল থেকে উচ্চশিক্ষা সমাপ্ত করেন। এরপর ভবানীপুর এডুকেশান সোসাইটি কলেজে পড়াশোনা শুরু করলেও পারিবারিক ব্যাবসার কারণে তিনি পড়াশোনা মাঝপথে বন্ধ করে দেন। 
কেরিয়ার

বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় মডেলিং করে তার কেরিয়ার শুরু। তিনি টিভিতে প্রথম নজরে আসেন নবাব গেঞ্জীর কমার্শিয়াল বিজ্ঞাপনে। এরপর তিনি কিছু টেলিভিশান সিরিয়ালে অভিনয় করেন যেমন বিষবৃক্ষ, জন্মভূমি ইত্যাদি।
জিতের প্রথম ছবি ছিল চন্দু কিন্তু সেই ছবি সিনেমামহলে সেই ভাবে সাড়া ফেলেনি এবং ২০০১ সালের সেই ছবি কেউ মনে রাখে নি। চন্দু ছিল একটি তামিল সিনেমা। ২০০২ সালে পরিচালক হরনাথ চক্রবর্তী তার সাথী ছবিতে জিত-কে কাস্ট করেন। প্রথমে সাথী ছবির জন্যে অভিনেতা প্রসেঞ্জিত চ্যাটার্জীর কাছে অফার যায়, কিন্তু একজন কলেজ ছাত্রের ভূমিকায় তিনি অভিনয় করতে চান নি, তাই অফার যায় নবাগত জিত-এর কাছে। পরবর্তীকালে এই প্রসঙ্গে এক সাক্ষাৎকালে জিৎ বলেছেন, সাথী না এলেও হাতি আসত, প্রতিভা এবং ডেডিকেশান থাকলে সাফল্য আসবেই।
সাথী ছবির গান, বিশেষ করে 'ও বন্ধু তুমি শুনতে কি পাও' সেই সময় বাঙালী শ্রোতাদের খুবই আকৃষ্ট করেছিল। এই সিনেমা বাঙালী দর্শককে আবার হলমুখী করে তোলে। জিতের অভিনয় সকলের প্রশংসা পায়। প্রসেঞ্জিত চিরঞ্জিত পরবর্তী জমানার প্রথম হিরো হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেন এই অভিনেতা।
এরপর ধীরে ধীরে তিনি নাটের গুরু, বন্ধন, সঙ্গী, যুদ্ধ ইত্যাদি সফল ছবি করে বাঙলা ছবির সেরা আসনটি নিজের নামে পাকা করেন। অভিনেত্রী কোয়েল মল্লিক এবং স্বস্তিকা মুখার্জীর সাথে তার জুটি যথেষ্ট জনপ্রিয় হয়।
পরিচালক রিবি কিনাগীর সাথে জিৎ বহু জনপ্রিয় ছবি করেছেন। রাজ চক্রবর্তী জিৎ এবং সেই সময়ের উঠতি দেবকে নিয়ে দুই পৃথিবী পরিচালনা করেন যা একই সাথে শহুরে এবং গ্রামীণ দর্শককে আলোড়িত করে।
#জিৎ মূলত অ্যাকশান হিরো হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করলেও তার করা রোমান্টিক ছবি গুলিও যথেষ্ট জনপ্রিয়। যেমন বন্ধন, সঙ্গী, শুভদৃষ্টি ইত্যাদি। কমার্শিয়াল ছবি ছাড়াও জিৎ অন্য ধারার সিনেমাতেও অভিনয় করেছেন। যেমন রাজা সেন পরিচালিত কৃষ্ণকান্তের উইল এবং রয়াল বেঙ্গল টাইগার ইত্যাদি।
নায়িকা

জিৎ-এর সাথে সবথেকে যে নায়িকার জুটি সাফল্য লাভ করে তিনি হলেন কোয়েল মল্লিক। কোয়েল মল্লিক তার অভিনয় জীবন শুরু করেন জিৎ-এর সাথে নাটের গুরু ছবির মাধ্যমে। এরপর এরা বন্ধন, মানিক, যোদ্ধা, শুভদৃষ্টির মত প্রচুর সফল ছবি উপহার দেয়।
কোয়েল মল্লিক ছাড়াও জিৎ-এর সাথে যে নায়িকার জুটি দর্শকমনে সাড়া ফেলেছিল তিনি হলে স্বস্তিকা মুখার্জী। স্বস্তিকা মুখার্জীর সাথে জিৎ মস্তান, ক্রান্তি। আক্রোশ, পার্টনার, প্রিয়তমা ইত্যাদি ছবিতে অভিনয় করেন। এছাড়াও শ্রাবন্তী চ্যাটার্জী এবং সায়ন্তিকার সাথেও তার জুটি অনেকে পছন্দ করেন।

প্রোডিউসার জিৎ

২০১২ সালে তিনি নিজের প্রোডাকশান সংস্থা গ্রাসরুট এন্টারটেইনমেন্টের সূচনা করেন। এই সংস্থার প্রথম ছবি ১০০% লাভ। এরপর বস, আওয়ারা ইত্যাদি কিছু সফল ছবি প্রযোজনা করেন জিত। এর মধ্যে মুম্বাইয়ের বিখ্যাত পরিচালক নীরজ পান্ডের সংস্থা ফ্রাইডে ফিল্মওয়ার্ক্স-এর সাথে যৌথভাবে প্রযোজনা করেন রয়েল বেঙ্গল টাইগার। এই ছবির মূল চরিত্রে অভিনয় করেন আবীর চট্টোপাধ্যায়। এই ছবিতে জিৎ একটি অন্যরকম চরিত্রে অভিনয় করেন।
২০১৪ সালে তিনি বচ্চন নামে একটি বাংলা ছবি প্রযোজনা এবং অভিনয় করেন সেখানে তিনি বচ্চনের ফ্যানের ভূমিকায় অবতীর্ণ হন। এই ছবির রিলিজের আগে তিনি স্বয়ং অমিতাভ বচ্চনের সাথে সাক্ষাত করেন এবং তার আশীর্বাদ নিয়ে আসেন।

Saturday, January 20, 2018

ভারতে ব্যাটসম্যান বিরাট কোহলি - সচীন টেন্ডুলকারের সাথে তুল করা হয়|-----

বিশ্ব টি-টোয়েন্টিতে অস্ট্রেলিয়ার সাথে শ্বাসরুদ্ধকর জয় এর পর  বিরাট কোহলিকে একজন ‘প্রতিভাবান ব্যাটসম্যান’ বলা হয়-

তার দুর্দান্ত ইনিংসেই ভারত অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে টুর্নামেন্টের সেমিফাইনালে উঠেছে।
একটা সময় ম্যাচ ভারতের নাগালের বাইরে চলে গিয়েছিলো কিন্তু বিরাট কোহলির ঝড়ো ইনিংসের মধ্য দিয়ে স্বাগতিক দল সেই চাপের ভেতর থেকে বেরিয়ে আসে এবং খেলা শেষ হতে পাঁচ বল বাকি থাকতেই ম্যাচ জিতে নেয়।
বিরাট কোহলি ৫১ বলে ৮২ রান করে অপরাজিত ছিলেন।
তবে জয়সূচক রান নিয়েছেন অধিনায়ক এমএস ধোনি।
বিরাট কোহলির এই ইনিংসের পর তাকে সচীন টেন্ডুলকারের সাথে তুলনা করা শুরু হয়ে গেছে।
ভারতীয় কিংবদন্তী ক্রিকেটার কপিল দেব তার উচ্ছ্বাসিত প্রশংসা করে বলেছেন, “ব্যাট হাতে প্রতিভাবান এই ক্রিকেটারকে অভিনন্দন জানাই।

কপিল দেব ভারতের দ্রুততম বোলারদের একজন। তিনি বলেছেন, "আমি সবসময় বিশ্বাস করি টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট শুধু বল পেটানো বা বেপরোয়া ব্যাট পেটানো নয়। আপনি আপনার স্বাভাবিক খেলাটাও খেলতে পারেন এবং বোলাদের সাথে লড়াইয়ে জিতে যেতে পারেন। বিরাট কোহলি তার খেলায় সেটাই করে দেখিয়েছেন।"
প্রতিপক্ষের রানা তাড়া করতে অত্যন্ত দক্ষ হয়ে উঠেছেন বিরাট কোহলি।
এই টুর্নামেন্টের চারটি ম্যাচে তিনি করেছেন ১৮৪ রান।
সর্বোচ্চ রান সংগ্রহকারীদের মধ্যে তার অবস্থান তিন নম্বরে।
“তার আদর্শ সচীন টেন্ডুলকার থেকে তিনি শিখেছেন চাপের মধ্যে কিভাবে ব্যাট চালাতে হয়। শান্ত থেকে নিজের স্বাভাবিক খেলাটা খেলেই রান বের করে আনতে হয়। বিরাট কোহলিই হতে পারেন টেন্ডুলকারের যোগ্য উত্তরসূরি।


৪৪ বছরে টেন্ডুলকার, তার যে ৫ রেকর্ড

ভারতের ইতিহাস শচীন টেন্ডুলকার-

ক্রিকেট মাঠে যতোক্ষণ ব্যাট করতেন ততোক্ষণ ভারতের আশা-ভরসা হয়ে থাকতেন শচীন টেন্ডুলকার। ২০১৩ সালে প্রিয় এ খেলাটিকে চিরদিনের জন্য বিদায় জানান তিনি। তবে তার ঐতিহাসিক কীর্তিগুলো এখনো শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করে দেশটি। সোমবার কিংবদন্তি এ ক্রিকেটারের ৪৪তম জন্মদিন। এ উপলক্ষে তাকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন সর্বস্তরের মানুষ।
১৯৭৩ সালের ২৪ এপ্রিল মুম্বাইয়ে জন্ম নেন শচীন রমেশ টেন্ডুলকার। ১৯৮৯ সালে পাকিস্তানের বিপক্ষে টেস্ট ও ওয়ানডে ক্রিকেটে অভিষেক হয় তার। এরপর ২৪ বছরের দীর্ঘ ক্রিকেট ক্যারিয়ারে অসংখ্য রেকর্ড গড়েছেন তিনি। এর মধ্যে পাঁচটি রেকর্ড রয়েছে যা কোনোদিনই ভাঙবে না বলে মত ক্রিকেটবোদ্ধাদের।

১. টেস্টে ১৫ হাজার ৯২১ রান :
টেস্ট ক্রিকেটে শচীন টেন্ডুলকারের মোট সংগ্রহ ১৫ হাজার ৯২১ রান। এর ধারেকাছেও এখন পর্যন্ত কেউ যেতে পারেনি। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ সংগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার রিকি পন্টিংয়ের ১৩ হাজার ৩৭৮ রান। ধারণা করা হয়, লিটল মাস্টার খ্যাত ব্যাটসম্যানের এ রেকর্ড কেউ ভাঙতে পারবে না।


২. ওয়ানডে ১৮ হাজার ৪২৬ রান :

ওয়ানডে ক্রিকেটে ব্যাটিং জিনিয়াসের মোট সংগ্রহ ১৮ হাজার ৪২৬ রান। আর কোনো ব্যাটসম্যানই এ ফরম্যাটে ১৫ হাজার রান অতিক্রম করতে পারেননি। ওয়ানডেতে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ সংগ্রহ শ্রীলঙ্কার কুমার সাঙ্গাকার ১৪ হাজার ২৩৪ রান। শচীনের এ রেকর্ডও কেউ ভাঙতে পারবে বলে মনে করেন না ক্রিকেটবোদ্ধারা।
৩. ২০০ টেস্ট :
সর্বোচ্চ টেস্ট খেলার রেকর্ডও শচীন টেন্ডুলকারের দখলে। একমাত্র ব্যাটসম্যান হিসেবে খেলেছেন ২০০ টেস্ট। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ২০০তম টেস্ট খেলার সৌভাগ্য অর্জন করেন তিনি। তার পরে সর্বোচ্চ সংখ্যক টেস্ট খেলেছেন ১৬৮টি করে যথাক্রমে দু’অজি কিংবদন্তি রিকি পন্টিং ও স্টিভ ওয়াহ্।
৪. টেস্টে ৫১ সেঞ্চুরি :

টেস্ট ক্রিকেটে সর্বোচ্চ সেঞ্চুরির মালিক শচীন টেন্ডুলকার। দু’দশকের বেশি ক্যারিয়ারে ৫১টি সেঞ্চুরি করেছেন তিনি। এ মাস্টার ব্যাটসম্যানের পরে কেবল দক্ষিণ আফ্রিকার জ্যাকস ক্যালিসের এ ফরম্যাটে ৪৫টি সেঞ্চুরি রয়েছে।
৫. আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারে ৩৪ হাজার ৫৭ রান :
টেস্ট ও ওয়ানডে মিলিয়ে এ রান করেছেন রানমেশিন। তার পরে কেবল কুমার সাঙ্গাকারা দু’ফরম্যাট মিলে করেছেন ২৮ হাজার রান। শচীনের এ রেকর্ডও অমর হয়ে থাকবে বলে মত ক্রিকেট বিশ্লেষকদের।

Friday, January 19, 2018

মেসি এর বার্সেলোনা ক্লাবে যাত্রা শুরু

বার্সেলোনা ক্লাবে  যাত্রা শুরু
মেসি ২০০০ থেকে ২০০৩ সাল পর্যন্ত বার্সেলোনার

২০০৪ সালের ১৬ অক্টোবর, ইস্পানিওলের বিপক্ষে বার্সেলোনার তৃতীয় কনিষ্ঠতম খেলোয়াড় হিসেবে মেসির লা লিগায় অভিষেক হয় (১৭ বছর এবং ১১৪ দিন বয়সে)। অবশ্য, ২০০৭ সালের সেপ্টেম্বরে, বোয়ান কিরকিচ এই স্থান দখল করেন। ২০০৫ সালের ১ মে, আলবাকেতে বালোম্পাইয়ের বিপক্ষে বার্সেলোনার সর্বকনিষ্ঠ খেলোয়াড় হিসেবে লা লিগায় গোল করার রেকর্ড গড়েন মেসি (১৭ বছর ১০ মাস এবং ৭ দিন বয়সে)। অবশ্য তার এই রেকর্ড ২০০৭ সালে বোয়ান কিরকিচ ভেঙ্গে ফেলেন। বোয়ান ঐ গোলটি মেসির পাস থেকেই করেছিলেন। মেসি তার প্রাক্তন কোচ ফ্রাংক রাইকার্ড সম্পর্কে বলেন: ‘‘আমি কখনও ভুলবনা যে তিনি আমার ক্যারিয়ার শুরু করিয়েছিলেন, মাত্র ১৬ বা ১৭ বছর বয়সে আমার প্রতি তার আস্থা ছিল।’’ ঐ মৌসুমে মেসি বার্সেলোনা বি দলের হয়েও খেলেন এবং ১৭ খেলায় ৬ গোল করেন।
মেসিকে স্পেনের নাগরিকত্ব প্রদান এবং লা লিগা’য় খেলার সুযোগ-২০০৫ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর দ্বিতীয়বারের মত বার্সেলোনা মেসির সাথে তাদের চুক্তি নবায়ন করে। এসময় মূল দলের খেলোয়াড় হিসেবে মেসির পারিশ্রমিক বাড়ানো হয়  চুক্তির মেয়াদ বাড়িয়ে ২০১৪ সাল পর্যন্ত করা হয়। ২০০৫ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর, মেসিকে স্পেনের নাগরিকত্ব প্রদান করা হয় এবং তিনি লা লিগায় খেলার সুযোগ পেয়ে যান। ২৭ সেপ্টেম্বর মেসি ঘরের মাঠে ইতালিয়ান ক্লাব উদিনেসের বিপক্ষে চ্যাম্পিয়নস লীগে তার প্রথম খেলায় মাঠে নামেন। মেসি যখন মাঠে নামেন তখন ক্যাম্প ন্যু এর দর্শকগন তাকে দাড়িয়ে অভ্যর্থনা জানান। মেসি লা লিগায় ১৭ খেলায় ৬ গোল এবং চ্যাম্পিয়নস লীগে ৬ খেলায় ১ গোল করেন। ২০০৬ সালের ৭ মার্চ চেলসির বিপক্ষে চ্যাম্পিয়নস লীগের দ্বিতীয় পর্বের দ্বিতীয় লীগের খেলায় মেসির ডান উরুর পেশী ছিঁড়ে যায়। ফলে সেসমই তাকে মৌসুমের ইতি টানতে হয়। ঐ মৌসুমে রাইকার্ডের অধীনে বার্সেলোনা স্পেন এবং ইউরোপের চ্যাম্পিয়ন হিসেবে মৌসুম শেষ করে। স্পেনের জাতীয় অনুর্ধ্ব ২০ ফুটবল দলে খেলার আমন্ত্রন প্রত্যাখ্যান মেসির-

আর্জেন্টাইন-স্পেনীয় নাগরিক হিসেবে ২০০৪ সালে মেসিকে স্পেনের জাতীয় অনুর্ধ্ব ২০ ফুটবল দলে খেলার জন্য আমন্ত্রন জানানো হয়। কিন্তু মেসি তা প্রত্যাখ্যান করেন। তিনি ২০০৪ সালের জুনে আর্জেন্টিনার অনুর্ধ্ব ২০ দলের হয়ে প্যারাগুয়ের বিপক্ষে প্রথম প্রীতি খেলায় মাঠে নামেন। তিনি ২০০৫ সালে দক্ষিন আমেরিকান যুব চ্যাম্পিয়নশীপে আর্জেন্টিনা দলের হয়ে খেলেন এবং যেখানে আর্জেন্টিনা তৃতীয় হয়। ২০০৫ ফিফা যুব চ্যাম্পিয়নশীপে আর্জেন্টিনা চ্যাম্পিয়ন হয় এবং তিনি ৬টি গোল করে প্রতিযোগিতার সেরা খেলোয়াড় হিসেবে গোল্ডেন বল এবং গোল্ডেন বুটের পুরস্কার জিতেন।

যুব একাডেমীর ইনফান্তিল বি, কাদেতে বি এবং কাদেতে এ দলে খেলেছেন। কাদেতে এ দলে খেলার সময় তিনি ৩০ খেলায় ৩৭ গোল করেন। ২০০৩ সালে অর্থনৈতিক সীমাবদ্ধতার কারণে তাকে ক্লাব থেকে প্রায় ছেড়েই দেওয়া হয়েছিল কিন্তু যুব দলের প্রশিক্ষণ কর্মীদের জোড়াজুড়িতে ক্লাবের ব্যবস্থাপনা পরিষদ তাকে দলে রেখে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। ২০০৩–০৪ মৌসুমে মেসি পাঁচটি আলাদা দলে খেলেন, যা একটি রেকর্ড। তিনি হুভেনিল বি দলে খেলে ১টি গোল করেন এবং হুভেনিল এ দলে খেলার সুযোগ লাভ করেন। সেখানে তিনি ১৪ খেলায় ২১টি গোল করেন। ২০০৩ সালের ২৯ নভেম্বর, বার্সেলোনা সি (তের্সেরা দিভিসিওন) দলে এবং ২০০৪ সালের ৬ মার্চ, বার্সেলোনা বি (সেহুন্দা দিভিসিওন) দলে তার অভিষেক হয়। ঐ মৌসুমে তিনি উভয় দলের হয়েই খেলেন এবং সি দলের হয়ে তার গোল সংখ্যা ছিল ১০ খেলায় ৫ এবং বি দলের হয়ে ৫ খেলায় শূন্য। এই দুই দলে অভিষেকের পূর্বে মেসির দাপ্তরিক অভিষেক হয়েছিল ২০০৩ সালের ১৬ নভেম্বর, পোর্তোর বিপক্ষে একটি প্রীতি খেলায় (১৬ বছর এবং ১৪৫ দিন বয়সে)।

Lionel Messi


মেসির ছটো থাকার সময়
বর্তমান সময়ের অন্যতম সেরা ফুটবলার লিওনেল মেসি আর্জেন্টিনার রোজারিওতে স্টিল কারখানায় কর্মরত বাবা হোর্হে হোরাসিও মেসি এবং পার্ট-টাইম ক্লিনার মা সেলিয়া মারিয়া কুচ্চিত্তিনি এর ঘরে ১৯৮৭ সালের ২৪শে জুন জন্মগ্রহন করেন। তার পৈতৃক পরিবারের আদি বাসস্থান ছিল ইতালির আকোনা শহরে। তার পূর্বপুরুষদের একজন অ্যাঞ্জেলো মেসি ১৮৮৩ সালে সেখান থেকে আর্জেন্টিনায় চলে আসেন। মেসির বড় দুই ভাই এবং এক ছোট বোন রয়েছেন। বড় দুই ভাইয়ের নাম রদ্রিগো ও মাতিয়াস এবং ছোট বোনের নাম মারিয়া সল। পাঁচ বছর বয়সে মেসি স্থানীয় ক্লাব গ্রান্দোলির হয়ে ফুটবল খেলা শুরু করেন যার কোচ ছিলেন তার বাবা হোর্হে।

মেসির দ্য মেশিন অফ '৮৭
বর্তমান সময়ের অন্যতম সেরা ফুটবলার লিওনেল মেসি আর্জেন্টিনার রোজারিওতে স্টিল কারখানায় কর্মরত বাবা হোর্হে হোরাসিও মেসি এবং পার্ট-টাইম ক্লিনার মা সেলিয়া মারিয়া কুচ্চিত্তিনি এর ঘরে ১৯৮৭ সালের ২৪শে জুন জন্মগ্রহন করেন। তার পৈতৃক পরিবারের আদি বাসস্থান ছিল ইতালির আকোনা শহরে। তার পূর্বপুরুষদের একজন অ্যাঞ্জেলো মেসি ১৮৮৩ সালে সেখান থেকে আর্জেন্টিনায় চলে আসেন। মেসির বড় দুই ভাই এবং এক ছোট বোন রয়েছেন। বড় দুই ভাইয়ের নাম রদ্রিগো ও মাতিয়াস এবং ছোট বোনের নাম মারিয়া সল। পাঁচ বছর বয়সে মেসি স্থানীয় ক্লাব গ্রান্দোলির হয়ে ফুটবল খেলা শুরু করেন যার কোচ ছিলেন তার বাবা হোর্হে।

Variations on The Word Love

  Variations on The Word Love    By Margaret Atwood           'This is a word we use to plug      holes with. It's the right size fo...