Thursday, September 6, 2018

গ্রহ নক্ষত্র গুলো শুন্যে ভেসে আছে কিভাবে? অনেকেরই প্রশ্ন, আসুন আজ জেনে নেই


অনেকেরই প্রশ্ন- গ্রহ নক্ষত্র গুলো শুন্যে ভেসে আছে কিভাবে?
কেনোই বা তারা সূর্যকে কেন্দ্র করেই ঘুরছে?
কেনো তারা ছিটকে বা অন্যভাবে দূরে চলে যাচ্ছেনা?
আমাদের চারপাশে আমরা যে বলের বা আকর্ষন বিকর্ষনের ঘটনা দেখি এগুলো কেনো হয়?


এগুলোর মোটামুটি বিস্তারিত ব্যাখা দেওয়ার চেষ্টা করবো আজ। প্রথমেই আসি গ্রহ নক্ষত্রের ব্যাপারে। তারা ভেসে আছে কি করে?
আমরা অনেকেই হয়তো স্পেস টাইম কার্ভেচারের নাম শুনেছি। অনেকেই হয়তো কিছুটা বুঝি আবার কেউ কেউ হয়তো বুঝিনা। আসুন জিনিসটা আবার বুঝা যাক।


ধরুন আপনি একটি রাবারের পাতলা চাদরকে অনেক টান টান করে চারপাশে আটকালেন। তখন সেটা একটা সমতল পৃষ্ঠ এর ন্যায় দেখাবে। কিন্তু যদি এখন আপনি এর মধ্যে একটি ১ কেজি বা ৮০০ গ্রাম ওজনের বল রাখেন।তাহলে সেই বলটি উক্ত চাদরকে বাকাবে এবং একটু গর্তের ন্যায় তৈরি করবে।

এখন কথা হচ্ছে, যদি আপনি ঐ চাদরের একদম উপরে বা মাঝের যেকোনো কোথাও একটি ছোট মার্বেল রাখেন, সেটি গড়িয়ে গিয়ে সেই ১ কেজি ওজনের বলের সাথে গিয়ে লাগতে চাইবে।কেননা সে একটি বাকানো পথ তৈরি করেছে যার ফলে তার থেকে কম ওজনের যাই দেওয়া হবে সেটা সেই বাক তৈরির উৎস্যের দিকেই যাবে। ঠিক যেভাবে নিচু গর্তে পানি গড়িয়ে যায়।

তবে উক্ত চাদরে যদি আপনি কোনো মার্বেলকে একটু অনুভূমিক বরাবর গতি প্রদান করতে পারেন তবে দেখবেন অনেক্ষণ ধরে তা ঘুরপাক খাবে।মাঝে মধ্যে গর্তে গিয়ে আবার বেরিয়ে এসে ঘুরতে 

থাকবে এবং শক্তি হারাতে হারাতে এক সময় থেমে গিয়ে গর্তে পতিত হবে।
এবার আসুন, গ্রহের বেলায় এটা কিভাবে কাজ করে। বিজ্ঞানীদের মতে, বিগব্যাং হওয়ার পরে আমাদের এই মহাবিশ্বের মধ্যে ৪র্থ মাত্রার একটি চাদর বিস্তৃত হয়ে গিয়েছিলো। যার উপরেই মহাবিশ্বের সকল কিছু অবস্থান করছে। বলে রাখা ভালো এটি একটি ৪র্থ মাত্রার চাদর যা ঘর্ষণহীন এবং যার নাম দেওয়া হয়েছে স্পেস-টাইম। তো এই চাদরও ঠিক রাবারের ওই চাদরের মতনই ক্রিয়া করে। উদাহরণ স্বরূপ, আমাদের সৌরজগতের মধ্যে সবচেয়ে ভারী বস্তু হলো সূর্য। অর্থাৎ, সবচেয়ে বেশি স্পেস-টাইমকে বাঁকাবেও সেই সূর্য। আর যেহেতু পৃথিবীসহ সকল গ্রহই সূর্যের নিকট নগণ্য, তাই তারা সবাই সূর্যের দিকেই ধাবিত হতে চাইবে ঠিক যেভাবে মার্বেলটি হতে চাইতো।

কিন্তু অনেকে এখানে প্রশ্ন করবে,মার্বেলটি তো একসময় থেমে গিয়ে কেন্দ্রে পতিত হয়েছিলো। তাহলে পৃথিবী এবং অন্যান্য গ্রহগুলো কেনো পতিত হচ্ছেনা?

উত্তর হলো, যেহেতু আগেই বলেছি স্পেস-টাইম একটি ৪র্থ মাত্রার ঘর্ষণহীন চাদর, তাই পৃথিবী বা অন্যান্য গ্রহগুলো ঘর্ষণহীন ভাবে ঘুরতে পারছে। যেহেতু ঘর্ষণহীনভাবে ঘুরছে, তাই তাদের শক্তিও হারাচ্ছে না। অর্থাৎ, মার্বেলের মতো গ্রহদের একদম কেন্দ্রে পতিত হবার কোনো রাস্তা নেই(এ নিয়ে মতপার্থক্য রয়েছে)। তাদের কোনো বিরাট বাহ্যিক শক্তি দ্বারা বিকৃত না করা হলে যতদিন সূর্য আছে, তারা ততোদিনই একই ভাবে সূর্যকে প্রদক্ষিণ করতে থাকবে। এ কারণেই বলা হয় পৃথিবী এবং অন্যান্য গ্রহগুলো নির্দিষ্ট কক্ষপথে ঘুরছে। কারণ,তারা এখনও বিকৃত হয়নি। সূর্য স্পেস-টাইমকে বেশি বাকিয়েছে, তাই সূর্যের চেয়ে কম ভরের যারা রয়েছে সকলেই সূর্যের দিকে ধাবিত হতে চেয়েছে এবং তাদের পূর্বের আদিবেগের কারনে গোলাকার বা পরাবৃত্তাকারে অববরত প্রদক্ষিণ করে যাচ্ছে।

ঠিক প্রাকৃতিক উপগ্রহগুলোও কিন্তু এভাবেই কাজ করে। যেমন পৃথিবীর ভর চাঁদের চেয়ে বেশি। তাই পৃথিবী স্পেস-টাইমকে চাঁদের থেকে বেশি বাকিয়েছে এবং ফলস্বরুপ, চাঁদ পৃথিবীকে প্রদক্ষিণ করছে আর পৃথিবী সূর্যকে। এই গ্রহের ঘুর্ণনের ব্যাপারে ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে আমাদের কেন্দ্রমুখী এবং কেন্দ্রবিমুখী বলের সমান হওয়ার ব্যাখ্যাগুলো দেওয়া হয়। কিন্তু কেন্দ্রমুখী এবং কেন্দ্রবিমুখী বলগুলো কেনো সমান হলো? কিভাবে সমান হলো? এগুলোর ব্যাখ্যা কেউ চায় ও না,কেউ দেয় ও না। তাই, এটার মূল কারণ এবং থিওরি এটাই যা সবচেয়ে লেটেস্ট।

এবার আসা যাক বলের দিকে। আমরা সকলেই চারটি মৌলিক বলের নাম জানি। মহাকর্ষ বল তার মধ্যে একটি যা একটি দুর্বল বল। কেনো দুর্বল হয় এই মহাকর্ষ বল?

এটারও মূল থিওরি স্পেস-টাইমই।
যেমন আমাদের পৃথিবীর মধ্যেই যদি আমরা কিছু দূরে দূরে দুইটি কলম রাখি তারা কিন্তু মিলিত হচ্ছেনা। কারণ, তাদের অতো বেশি পরিমানের ভর নেই যার দ্বারা তারা স্পেস-টাইম বাকিয়ে অন্যদের আকর্ষণ করবে। তবে তারা যে আকর্ষণ করছে না এমনটি নয়।তারাও করছে, তবে তা এতোই কম যে তাদের অগ্রসর হওয়ার জন্য যথেষ্ঠ নয়। অর্থাৎ, যেই বস্তু যতো বেশি স্পেস-টাইমকে বাকাতে পারবে, সে ততো বেশি অন্য বস্তুকে তার দিকে টেনে নেওয়ার প্রবণতা দেখাবে। এমনকি ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র অণুসমূহের কাছাকাছি আসার মধ্যেও এই স্পেস-টাইম এর প্রভাব রয়েছে। খেয়াল করলে দেখা যায় আকর্ষন+বিকর্ষণ+ প্রায় সকল ধরনের বলই এই স্পেস-টাইমের গর্তের উপরই নির্ভর করছে। গর্তই তৈরি করছে বল। যার কারণে এই মহাবিশ্ব এতো সুশীলভাবে চলছে,রহস্যজনকভাবে,সুন্দরভাবে।
ব্ল্যাকহোলও স্পেস-টাইমকে কাজে লাগিয়েই সমস্ত কিছুকে গ্রাস করে।যেহেতু ব্ল্যাকহোলগুলো মহাবিশ্বের সবচেয়ে ভারী বস্তুগুলো হিসেবে কাজ করে তাই এরা স্পেস-টাইমকে এতোই বাকায় যে তা ছিদ্রের ন্যায় হয়ে যায়।যার দরুন, উহার ভিতরে কিছু চলে গেলে তার ফিরে আসার মতো শক্তি থাকেনা।আলো 3X10^8 মি/সে. গতি নিয়েও তা থেকে বের হতে পারেনা। কেনো পারেনা? যেহেতু আলো মূলত ফোটন কণার প্রবাহ। আর কণা অবশ্যই স্পেস-টাইমের ফাঁদে পা দিতেই পারে স্বাভাবিক।

Wednesday, July 11, 2018

পরিকল্পনা কমিশনে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি – planning ministry job circular

 পরিকল্পনা কমিশনের কার্যক্রম বিভাগে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ হয়েছে। সাতটি পদে মোট নয়জনকে এই নিয়োগ দেওয়া হবে। নারী ও পুরুষ উভয়কেই নিয়োগ দেওয়া হবে। আগ্রহ ও যোগ্যতা থাকলে আপনিও আবেদন করতে পারেন। সম্পূর্ণ বিজ্ঞপ্তি বিস্তারিত দেওয়া হল।

আবেদনের সময়সীমা: ১৯ জুলাই ২০১৮ এর মধ্যে  আবেদন পৌছাতে হবে।
আবেদন প্রক্রিয়া: জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় (www.mopa.gov.bd) কর্তৃক প্রণীত ফরমে A4  সাইজ কাগজে পূরণপুর্বক স্বাক্ষরসহ প্রকল্প পরিচালক, ‘কার্যক্রম বিভাগে একটি নতুন ডিজিটাল ডাটাবেজ সিস্টেম স্থাপনের মাধ্যমে উন্নয়ন বাজেট ব্যবস্থাপনা পদ্ধতি শক্তিশালিকরণ (এসডিবিএম) প্রকল্প, ব্লক-২, কক্ষ নং -১৩, পরিকল্পনা কমিশন, শেরে-বাংলা নগর, ঢাকা-১২০৭ বরাবরে আবেদন করতে হবে

Sunday, July 1, 2018

itel S11 Phone

Price in Bangladesh: 6,190 Tk.

 

**Network Scope    2G, 3G
**Battery Type & Performance    2400 mAh
                                                      Standby time: -
                                                      Talk-time: -

**Camera Resolution (Back)    5 Megapixel
**Camera Resolution (Front)    2 Megapixel (Front flash, f/2.2)
**Camera Factors (Back)    Autofocus, dual-LED Flash, f/2.0 
**Colors Available    Rose Gold, Champagne Gold, Space Gray
**Chipset    MediaTek MT6580M 
**Graphic Processing Unit (GPU)    Mali 400
**Display Size & Resolution    5.0 inches, FWVGA 854 x 480 pixels 
**Display Type    IPS Touchscreen
**Memory Card Slot    MicroSD, up to 32 GB 
**Operating System    Android Marshmallow v6.0 
**Processor    Quad-Core, 1.3 GHz 
**RAM    2 GB 
**ROM    8 GB 
**SIM Card Type    Dual SIM 
**USB    MicroUSB v2.0
 **Video Recording    Yes 
**Wireless LAN    Yes 
**Other Features    - Bluetooth, GPS, A-GPS, MP3, MP4, Radio, GPRS, Edge, Multitouch, Loudspeaker

itel S11

itel S11 Plus is most probably the lowest price 2 GB RAM phone in Bangladesh. Even brands like Symphony has 2 GB RAM phones starting from 7,575 Tk. (Symphony i60). It is a huge price difference. The job of RAM or Random Access Memory is to speed up the processes while multitasking, app using, net browsing, etc. So that, the phone runs smooth and you don't feel any lag. Funny enough, all other features are as same as itel S11. The only difference is the RAM. We already mentioned in the S11 review that the phone has a fine design, performance and primary camera for the price. Same goes for the S11 plus.

Thursday, June 28, 2018

Virat Kohli Cricket Record বিরাট কোহলি ক্রিকেট রেকর্ড

ব্যক্তিগত তথ্য

পূর্ণ নাম:     বিরাট কোহলি                                       Full Name: Virat Kohli
জন্ম:           ৫ নভেম্বর ১৯৮৮ (বয়স ২৯)                 Date: 5 November 1988 (age 29)
ডাকনাম:    চিকু                                                       Nickname: Chiku
উচ্চতা:       ৫ ফুট ৯ ইঞ্চি (১.৭৫ মিটার)                  Height: 5 ft 9 in (1.75 m)
দিল্লি, ভারত                                                              Delhi, India
ব্যাটিংয়ের ধরন:     ডানহাতি                                    Batting style: Right handed
বোলিংয়ের ধরন:     ডানহাতি মিডিয়াম পেস            Bowling Style: Right-arm medium pace
ভূমিকা:                   ব্যাটসম্যান                                Introduction: Batman

ব্যক্তিগত জীবন

২০১৩ সাল থেকে কোহলি বলিউডের অভিনেত্রী অনুষ্কা শর্মার সাথে প্রেমের সম্পর্কে জড়ান তাদের সম্পর্ক নিয়ে গণমাধ্যমে গুঞ্জন শুনা যেত। তারা ২০১৭ সালের ১১ ডিসেম্বর ইতালিতে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন।
কোহলি স্বীকার করেন যে তিনি কুসংস্কারে বিশ্বাসী। তিনি ক্রিকেটে কুসংস্কার হিসেবে হাতে একটি কালো রিস্টব্যান্ড পড়তেন। এর পূর্বে তিনি যে গ্লোভস পড়ে রান পেয়েছিলেন সেই গ্লোভস জোড়া পড়ে মাঠে নামতেন। ধর্মীয় কুসংস্কার ছাড়াও ২০১২ সাল থেকে তিনি তার ডান হাতে একটি কারা পড়তেন।

 খেলোয়াড়ী জীবনের পরিসংখ্যান

প্রতিযোগিতা                        টেস্ট     ওডিআই     টি২০আই     এফসি
ম্যাচ সংখ্যা                           ৫৩           ১৯৯             ৪৭            ৭৩
রানের সংখ্যা                        ৪২০৯      ৮৭৬৭        ১,৭০৮      ৫,২৪৩
ব্যাটিং গড়                            ৫০.১১     ৫৫.১৪        ৫৫.১         ৪৮.১০
১০০/৫০                               ১৭/১৫     ৩০/৪২        ০/১৭        ১৮/২০
সর্বোচ্চ রান                           ২৩৫        ১৮৩           ৯০*           ১৯৭
বল করেছে                            ১৫০         ৬১১            ১৪৬           ৬১৮
উইকেট                                ০             ৪                 ৪                ৩
বোলিং গড়                            -              ১৫৯.০০      ৪৯.৫০        ১০৮.০০
ইনিংসে ৫ উইকেট               ০             ০                 ০                 ০
ম্যাচে ১০ উইকেট                ০             -                  ০                 ০
সেরা বোলিং     -                    -             ১/১৫            ১/১৩           ১/১৯
ক্যাচ/স্ট্যাম্পিং                     ৩৬/–       ৮৩/–            ২১/–           ৬৭/–

ক্রিকেটের সব রেকর্ড ভেঙ্গে শীর্ষে বিরাট কোহলি

৩৫৪ ম্যাচে ৫৩টি আন্তর্জাতিক শতরান! পৃথিবী নামক গ্রহে বিরাট কোহলিই একমাত্র ক্রিকেটার যিনি এত কম ম্যাচে এই মাইলস্টোন গড়ে ফেললেন।
একইদিনে সেঞ্চুরিয়ানে টেস্ট কেরিয়ার ২১তম শতরান অর্জন করলেন ভারত অধিনায়ক। উল্লেখ্য, অধিনায়ক হিসেবে সচিনের পর বিরাটই দ্বিতীয় ভারত অধিনায়ক যার ঝুলিতে রয়েছে ম্যান্ডেলার দেশে করা শতরানের গৌরব।একই সঙ্গে এদিন বিরাট কোহলি ভাঙলেন আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের সর্বকালের সেরা রেকর্ডও। এতদিন পর্যন্ত বিশ্বের দ্রুততম ৫৩ শতকের মালিক ছিলেন দক্ষিণ আফ্রিকার তারকা ব্যাটসম্যান হাসিম আমলা। ৩৮০ ইনিংস খেলে আমলা পৌঁছেছিলেন এই উচ্চতায়। আর বিরাট সেই উচ্চতায় পৌঁছলেন ২৬ কদম আগেই।

টেস্ট ক্রিকেটে বিরাটের রেকর্ড-(৫৪২১)
৬৫ ম্যাচ- ১০৯ ইনিংস- ২১টি শতরান ও ১৫ অর্ধশতরান

একদিনের আন্তর্জাতিকে বিরাটের রেকর্ড-(৯০৩০)
২০২ ম্যাচ- ১৯৪ ইনিংস- ৩৩টি শতরান ও ৪৫টি অর্ধশতরান

টি-টোয়েন্টিতে বিরাটের রেকর্ড-(১৯৫৬)
৫৫ ম্যাচ- ৫১ ইনিংস- ১৮টি অর্ধশতরান

বিরাট কোহলির অনেক রেকর্ডের মধ্যে ১০টি বিরল রেকর্ড


১.শচীন টেন্ডুলকারের পর এখন একমাত্র বিরাট কোহলিরই ওয়ানডেতে ৩৪টি সেঞ্চুরির রেকর্ড রয়েছে।

২. এক বছরের মধ্যে অধিনায়ক কোহলির অধীনে রয়েছে ছয়টি শতরান, যা আর কোনও ক্রিকেট অধিনায়কের নেই।

৩. বিশ্বে ক্রিকেটে দ্রুততম ৯ হাজার রানের রেকর্ডও বিরাটের দখলে। ১৯৪ ইনিংসে তিনি ৯ হাজারি ক্লাবে প্রবেশ করেন। এর আগে ২০৫ ইনিংসে নয় হাজার রান করার রেকর্ড ছিল এবিডি'র।

৪. একমাত্র ব্যাটসম্যান হিসেবে কোহলিই পরপর দু'বছরের মধ্যেই তিনটি দ্বিশতরান করেছেন।

৫. মাত্র ২৭ ইনিংসেই টি-টোয়েন্টিতে দ্রুততম হাজার রানের মালিক বিরাট।

৬. অধিনায়ক হিসেবে সর্বাধিক ১৩টি শতরান করেছেন বিরাট কোহলি। এর আগে এই ক্লাবের শীর্ষে ছিলেন ভারতের প্রাক্তন অধিনায়ক সৌরভ গাঙ্গুলি।
৭. দ্বিপাক্ষিক ওয়ানডে সিরিজে ৬ বার ৩০০ এর অধিক রানের রেকর্ড করেছেন বিরাট কোহলি, যা আর অন্য ক্রিকেটার পারেননি।

৮. অধিনায়ক হিসেবে এক বছরে সব থেকে বেশি রান করার রেকর্ড অর্জন করেছেন কোহলি। ২০১৭ সালে কোহলির মোট রান ১৪৬০। এর আগে এই রেকর্ড ছিলো সাবেক অস্ট্রেলিয়ান অধিনায়ক রিকি পন্টিংয়ের।

৯. টেস্ট ক্রিকেটে ব্রায়ান লারার পাঁচটি ডাবল সেঞ্চুরির রেকর্ড ভেঙে কোহলিই এখন পৃথিবীর একমাত্র ক্রিকেট অধিনায়ক যিনি টেস্টে ছয়টি ডাবল সেঞ্চুরি করেছেন।

১০. ২০১৬ ক্রিকেটবর্ষে তিন ফরম্যাটে ৫০ এর উপর রানের গড় ছিলো বিরাট কোহলির, যা আর কোনো ক্রিকেটারের নেই।


Wednesday, June 27, 2018

সাকিব আল হাসান Shakib Al Hasan

 সাকিব আল হাসান 

Shakib Al Hasan

 জন্ম তারিখ        :  ২৪ মার্চ, ১৯৮৭ (বয়স ৩১ বছর)
জন্মস্থান            :  মাগুরা জেলা, বাংলাদেশ
উচ্চতা              :  ১.৭৫ মি.
শিক্ষা                 :  বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান,    আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি
স্ত্রী                     :  উম্মে আহমেদ শিশির
সন্তান                :  আলায়না হাসান অব্রি
অভিষেক           :  ২০০৬ সালের ৬ আগস্ট
ব্যাটিংয়ের ধরন  :  বাঁ হাতি মিডল অর্ডার
বর্তমান টিম       :  বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল (অল-রাউন্ডার)

 বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব

বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান নিজ এলাকা মাগুরাতে ‘ফয়সাল’ নামেই বেশি পরিচিত। লর্ডস, মেলবোর্ন, ইডেন গার্ডেন, মিরপুর মাঠ দাপিয়ে বেড়ানো সাকিবের শুরুটা হয়েছিল মাগুরার আলোকদিয়ার মাঠে। এক সময় মাগুরার ‘ফয়সাল’ হয়ে উঠলেন বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার ‘সাকিব আল হাসান’।

সাকিবের জন্ম ২৪ মার্চ, ১৯৮৭। সারা দেশের কাছে তার পরিচয় সাকিব আল হাসান নামে হলেও জন্মস্থল মাগুরায় তার পরিচিতি ফয়সাল নামে।
৬ আগস্ট ২০০৬, বাংলাদেশ বনাম জিম্বাবুয়ে ৫ম ওয়ানডে ম্যাচ। অভিষেক হলো এক তরুণ খেলোয়াড়ের, নাম সাকিব আল হাসান। বল হাতে ১০ ওভারে ৩৯ রানের বিনিময়ে এলটন চিগাম্বুরার উইকেট এবং ব্যাট হাতে ৪৯ বলে অপরাজিত ৩০ রানের একটি ইনিংস। এভাবেই শুরু হয়েছিল সাকিবের আন্তির্জাতিক ক্যারিয়ার।

  • অধিনায়কের দায়িত্বে (২০০৯-২০১০)
    • ৫.১ ওয়েস্ট ইন্ডিজ
    • ৫.২ জিম্বাবুয়ে
    • ৫.৩ ইংল্যান্ড সফর ও এশিয়া কাপ
    • ৫.৪ নিউজিল্যান্ড ও জিম্বাবুয়ে

ক্রিকেট বিশ্বকাপ, ২০১৫

২০১৫ সালের ক্রিকেট বিশ্বকাপ প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের লক্ষ্যে ৪ জানুয়ারি, ২০১৫ তারিখে বিসিবি কর্তৃপক্ষ বাংলাদেশ দলের ১৫-সদস্যের চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করে। এতে তিনিও দলের অন্যতম সদস্য মনোনীত হন। ১৮ ফেব্রুয়ারি ম্যানুকা ওভালে অনুষ্ঠিত গ্রুপ-পর্বের প্রথম খেলায় আফগানিস্তানের বিপক্ষে চমকপ্রদ ক্রীড়ানৈপুণ্য প্রদর্শন করেন সাকিব। মুশফিককে সাথে নিয়ে ১০০ রানের একটি জুটি গড়ে তোলেন যা বাংলাদেশের জয়ে ভুমিকা রাখে। প্রথম বাংলাদেশী ক্রিকেটার হিসেবে সাকিব আল হাসান একদিনের আন্তর্জাতিকে ৪,০০০ রান সংগ্রহ করেন।  অর্ধ-শতকের পাশাপাশি ২ উইকেট লাভ করে বাংলাদেশ দলকে ১০৫ রানে জয়ী করতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন।

আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে সাময়িক বহিষ্কার

২০১৪ সালের জুলাইয়ে তাকে জাতীয় দল থেকে ৬ মাসের জন্য ও বাংলাদেশের বাইরের ক্লাব ক্রিকেটের জন্য ২০১৫ সালের জুলাই পর্যন্ত বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড তাকে নিষিদ্ধ করে। জাতীয় দলের কোচ চণ্ডিকা হাথুরুসিংহার সাথে দুর্ব্যবহার, মাঠে অশোভন আচরণসহ বিভিন্ন অভিযোগে তাকে এই শাস্তি দেয়া হয়েছে বলে বোর্ড সভাপতি নাজমুল হাসান দাবি করেন। যদিও এই শাস্তি দেয়ার জন্য বোর্ডকে অনেক সমালোচনার মুখোমুখি হতে হয়। বাংলাদেশের বিভিন্ন তারকা ও সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম এই অভিযোগের প্রতিবাদ করেন অনেকে অভিযোগ করেন সাকিব ব্যক্তিগত আক্রোশের শিকার হয়েছে।

 নিউজিল্যান্ডের ওয়েলিংটনে সাকিব আল হাসান টপকে গেলেন বাংলাদেশের পক্ষে এতদিনের সর্বোচ্চ টেস্ট রানের মালিক তামিম ইকবালকে।  

বাংলাদেশের প্রথম ইনিংসে সাকিবের সংগ্রহ ২১৭ রান, নিজের করে নিলেন তিনি দেশের পক্ষে সর্বোচ্চ রানের রেকর্ডটিকে।
আর এই রেকর্ড গড়ার পথে তিনি অধিনায়ক মুশফিকুর রহিমের সাথে গড়েছেন আরও রেকর্ড। সেটি দেশের পক্ষে যেকোন উইকেট জুটিতে সর্বোচ্চ রানের রেকর্ড।
এই জুটির সংগ্রহ ছিল ৩৫৯ রান - আর পঞ্চম উইকেট জুটিতে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে যেকোন প্রতিপক্ষের এটি সর্বোচ্চ রান।
 

Thursday, May 24, 2018

M S Dhonir জীবন কাহিনী

M S Dhonir জীবন কাহিন


জন্ম ও পরিবার


ধোনির বাবার জন্মস্থান ভারতের উত্তরাঞ্চলের আলমোড়া জেলার তলসালম একটি অচেনা অখ্যাত গ্রাম। খুব ভালো চাষাবাদ না হওয়ায় অল্প লেখাপড়া জানা ধোনির বাবা একটি চাকরীর আশায় চলে যান উত্তর প্রদেশের লখনউয়ে। সেখানে কাজ না জোটায় তিনি চলে যান ঝাড়খণ্ডের বোকারো। কিন্তু এখানেও কোন কাজ জুটল না। তাই আবার একটা কাজের আশায় পাড়ি জমালেন ঝাড়খণ্ডেরই রাঁচিতে। ১৯৬৪ সালে যোগ দেন স্টিল কোম্পানিতে। এরপর ১৯৮১ সালের ৭ জুলাই জন্মগ্রহণ করেন মহেন্দ্র সিং ধোনি। তার পিতার নাম পন সিং এবং মায়ের নাম দেবকী। ধোনিরা তিন ভাইবোন। ধোনির বড় এক ভাই ও বোন রয়েছে।

ধোনির ক্রিকেটার হয়ে ওঠা

স্কুলেই ধোনির ক্রিকেটে হাতেখড়ি হয়। রাঁচির স্টিল কোম্পানির স্কুলে পড়াশোনা করতেন ধোনি। প্রথমদিকে ফুটবলের প্রতি টান ছিল ধোনির। ইচ্ছা ছিল ভালো গোলকিপার হওয়ার। একসময় ব্যাডমিন্টন, হকি ও টেবিল টেনিসের প্রতি নেশা চেঁপে বসে। ধোনি যে স্কুলে পড়াশোনা করতেন সেই স্কুলে একজন বাঙালি শিক্ষক ছিলেন। তিনি স্কুলের একটি ক্রিকেট টিম তৈরি করেন। কিন্তু তার দলের কোনো উইকেটকিপার ছিল না। তাই তিনি ধোনিকে উইকেট কিপার হিসেবে খেলার কথা বলেন। ধোনি তার কথায় রাজি হয়ে উইকেট কিপার হিসেবে যোগ দেন সেই ক্রিকেট টিমে। উইকেট কিপার হিসেবে যোগ দিলেও অল্প কয়েকদিনের মধ্যেই ভালো ব্যটসম্যান হিসেবে নিজেকে গড়ে তোলেন ধোনি। এভাবেই স্কুল জীবনে ক্রিকেট খেলায় হাতেখড়ি হয় মহেন্দ্র সিং ধোনির।

ধোনির বয়স যখন ১৫ বছর তখন সুযোগ পান বিহার দলে। বয়সের কোঠা ১৯ এর ঘরে পৌঁছলে অভিষেক ঘটে ‘রনজি ট্রফিতে’। এরপর সুযোগ হয় ‘পূর্বাঞ্চল’ টিমে। ক্রিকেটের সফলতার পাশাপাশি পড়াশোনায়ও ভালো ছিলেন ধোনি। শিক্ষাজীবনে কখনো খারাপ ফলাফল করেননি। তবে উচ্চ মাধ্যমিক পাস করার পর গসনা কলেজে ভর্তি হলেও পরীক্ষা দেওয়া হয় নি। তবে ধোনি বিভিন্ন দেশের সাম্মানিক ডি-লিট পেয়ে ডক্টরেট ডিগ্রী পেয়েছেন।

আগেই বলেছি ধোনি একসময় রেলের টিকেট চেকারের কাজ করতেন। রেল বিভাগের হয়ে ক্রিকেট খেলতে গিয়েই লম্বা চুলের এই তরুন নজরে পড়ে যান সবার। অবশ্য ম্যাচ খেলতে গিয়ে চাকুরি হারিয়েছিলেন তিনি। সেটাই যেন জীবন বদলে দিল ধোনির। বিহারের অনুর্ধ-১৯ দলে ধোনি খেলেছেন সেই ১৯৯৮-৯৯ সালে। এরপর বিহার জাতীয় দল হয়ে খেলতে খেলতেই ডাক মেলে ভারতীয় এ দলে।

ভারতীয় দলের হয়ে ধোনির শুরু

২০০৪-০৫ এ বাংলাদেশের বিপক্ষে অভিষেক হয়েছিলো রাঁচির এই ক্রিকেটারের। কিন্তু শুরুটা ছিল একেবারে বাজেভাবে। রান আউট হয়ে সাজঘরে ফিরেছিলেন বিনা রানেই। তবে লড়াকু এই ক্রিকেটার জাতীয় দল থেকে ছিটকে পড়েননি। বিহার ও ভারতীয় ‘এ’ দলের ধারাবাহিক পারফরমেন্সে নিজের যোগ্যতার প্রমাণ দিয়েছিলেন। পাকিস্তানের বিপক্ষে ১২৩ বলে ১৪৮ রানের অসাধারণ ইনিংসটির পরই সবার নজরে পড়েন ধোনি। এরপর শুধুই এগিয়ে চলা। ২০০৮ ও ২০০৯ সালে আইসিসি প্লেয়ার অব দ্যা ইয়ারে ভূষিত হন তিনি। ভারতীয়দের মধ্যে তিনিই প্রথম এই সম্মান অর্জন করেন।

অধিনায়ক হিসেবে ধোনির সাফল্য

ধোনির নেতৃত্বে ভারতের অনেক সাফল্য রয়েছে ৷ ২০০৭-এ জোহানেসবার্গে টি-২০ বিশ্বকাপ জয় দিয়ে শুরু৷ তার পর ২০০৭-০৮ অস্ট্রেলিয়ায় সিবি সিরিজ জয়, ২০১০-এ এশিয়া কাপ এবং ২০১১ বিশ্বকাপ এবং ২০১৩ চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি জয়৷ ইংল্যান্ডের মাটিতে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি জয় দিয়ে প্রথম অধিনায়ক হিসেবে আইসিসি-র তিনটি ট্রফিই জিতেছেন ধোনি৷ তার অধিনায়কত্বেই ভারত টেস্টের র‌্যাংকিংয়ে এক নম্বরে উঠে এসেছিল। এখনো পর্যন্ত টেস্ট এবং ওয়ান-ডে ইন্টারন্যাশনালে তার রেকর্ড ভারতীয় অধিনায়কদের মধ্যে সেরা।

ধোনির জীবনী নিয়ে তৈরি করা হবে চলচ্চিত্র

মহেন্দ্র সিং ধোনির জীবনী নিয়ে চলচ্চিত্র তৈরি করবেন পরিচালক নীরাজ পান্ডে। এতে সুশান্ত সিং রাজপুত ধোনির চরিত্রে অভিনয় করবেন। ছবিতে একটি ছোট শহর থেকে ধোনির আন্তর্জাতিক তারকায় পরিণত হওয়ার সব কিছুই তুলে ধরা হবে।  তবে ধোনির চরিত্রে সুশান্তকে চূড়ান্ত করা হলেও তার স্ত্রী সাক্ষি চরিত্রে এখনো কাউকে নেয়া হয়নি। শোনা যাচ্ছে, এ চরিত্রে দীপিকা অথবা শ্রদ্ধা কাপুরকে দেখা যেতে পারে। সব কিছু ঠিক থাকলে অচিরেই শিরোনামহীন এ ছবির শুটিং শুরু হবে। মার্চ, ২০১৪ তারিখে এই ঘোষণা দেওয়া হয়।

এশিয়ায় অ্যাওয়ার্ড জয়

ক্রীড়া-ক্ষেত্রে অসাধারণ সাফল্যের জন্য এশিয়ান অ্যাওয়ার্ড ২০১৪ পেয়েছেন ভারতীয় অধিনায়ক ধোনি। এছাড়া মহেন্দ্র সিং ধোনিকে ২০০৯ সালে পদ্মশ্রী খেতাবে ভূষিত করে ভারত সরকার।

ধোনির যা পছন্দ

ধোনির বড় শখ দেশি বিদেশী কুকুর পোষা। আর আছে ভিডিও গেম খেলার নেশা। কিশোর কুমারের হিন্দি গানের ভক্ত ধোনি সিনেমা দেখায় উৎসাহী নন। দুধ খেতে খুব ভালবাসেন ধোনি। আর ভালবাসেন আলু-ভুজিয়া। এমনিতে আগে মাছ-মাংস না খেলেও, এখন দেশে বিদেশে ঘুরতে গিয়ে দুনিয়ার কোন খাবারেই আর অরুচি নেই ধোনির। তবে কলকাতায় এলে ইলিশ মাছ ভাজা দিয়ে ভাত তার বেশ পছন্দের খাবার।

বলিউড অভিনেতা জন আব্রাহামের ভক্ত বলেই এক সময় লম্বা চুল রেখে নজর কেড়ে নিয়েছিলেন মহেন্দ্র সিং ধোনি। হয়ে ওঠেন ফ্যাশন আইকন। বাইক ভালবাসেন তিনি। সময়-সুযোগ মিললেই মোটর সাইকেল নিয়ে বেড়িয়ে পড়েন। রাঁচিতে তার গ্যারেজে রয়েছে ৪টি গাড়ি। সঙ্গে ২৩টি হাইস্পিড মোটর সাইকেল।

সর্বকালের সেরা অধিনায়ক ধোনি

মহেন্দ্র সিং ধোনি। ভারতীয় অধিনায়ক যিনি ২০০৭ সালে ভারতকে টি২০ চ্যাম্পিয়ন, ২০১১ সালে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন এবং ২০১৩ সালে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি জিতিয়েছেন। এ সকল ট্রফির রাজসাক্ষী ধোনি আর তার হাত ধরেই আসে এসকল ট্রফি। বিশ্বচ্যাম্পিয়ণ দলের অধিনায়ক ধোনি টি২০ চ্যাম্পিয়ন করানোর পর ধেকে এ অধুরা থাকা চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি জয়ের আশা ব্যক্ত করেন। অবশেষে তাও পূরণ করে একমাত্র অধিনায়ক হিসেবে তিনটি ট্রফি গড়ে তোলার গৌরব অর্জন করেন। টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপ, ৫০ ওভারের ক্রিকেটের বিশ্বকাপ, আইপিএল, চ্যাম্পিয়ন্স লিগ টি টোয়েন্টি, টেস্ট এবং ওয়ান ডে ক্রিকেটে বিশ্ব
র‌্যাংকিংয়ে সেরা দলকে নেতৃত্ব দেওয়ার পর এবার চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিও হাতে তুললে ভারতীয় ক্রিকেটের সর্বকালের সেরা ক্যাপ্টেনের জায়গায় সে বসে পড়বে অনায়াসেই। একমাত্র রিকি পন্টিং তার সঙ্গে তুলনীয়। পন্টিংয়ের সময়ে অস্ট্রেলিয়া টেস্ট ও ওয়ানডে দুই ধরনের ক্রিকেটেই এক নম্বরে থেকেছে। কিন্তু টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ভাগ্য হয়নি পন্টিংয়ের। তাইতো ধোনি সর্বকালের সেরা একজন অধিনায়ক ।

বিদেশের মাটিতে সবচেয়ে বেশি টেস্ট হারার রেকর্ড


মহেন্দ্র সিং ধোনি অধিনায়ক হিসেবে বিদেশের মাটিতে সবচেয়ে বেশি টেস্ট ম্যাচ হেরেছেন।
মহেন্দ্র সিং ধোনি (১১)
সৌরভ গাঙ্গুলি (১০)
মুহাম্মদ আজহারউদ্দিন (১০)
মনসুর আলি খান পতৌদি (১০)
বিষেণ সিং বেদী (৮)
শচিন টেন্ডুলকার (৬)
সুনীল গাভাস্কার (৬)

ধোনির নিজের কিছু কথা

এবার জেনে নিন মহেন্দ্র সিং ধোনির সাফল্যের সেই মুল মন্ত্র। আর সেটা তার জবানীতেই-
• দেখুন ট্যালেন্ট নয়, সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হল দৃষ্টিভঙ্গি। চাপে পড়ে যাওয়ার পর যদি সেটা থেকে বের হওয়ার রাস্তা যদি জানতে পারেন তবে সেটাই ক্রিকেটের ক্রিকেটের রোমাঞ্চ।
• কে কতো বড় ক্রিকেটার। কার প্রোফাইল সমৃদ্ধ সেটা গুরুত্বপুর্ন নয়। ফিটনেস গুরুত্বপূর্ণ। তবে ফিট থাকার জন্য আপনাকে প্রতিদিন জিম যেতে হবে না। তবে ফিটনেস লুকানোটাও ভাল কথা নয়। লুকালে সেটা সবাই ঠিকই বুঝে নেবে। যেমনটা হয়েছিল শেবাগ আর যুবরাজের ক্ষেত্রে।
• ওয়ানডে দলে থাকতে হলে আপনার ফিল্ডিং ভাল হতেই হবে। তা না হলে রক্ষা নেই।
• কোচিং ম্যানুয়াল পড়ার দরকার নেই। টিম মিটিং, থিওরি সেসব কিছুও আমার দরকার নেই। মাঠে কাজ চাই। সাহস চাই। বক্তৃতা দিয়ে সময় নষ্ট করা চাই না।
• মিডিয়া কি দেখাল কিংবা কী লিখল মাথা ঘামাই না।। ওদের থেকে দুরে থাকাটাই ভালো।
• দেখুন, নিজেকে গুরুত্ব দেবেন। নিজে যেটা মনে করবেন সেটাই ঠিক মনে করে এগোবেন। কে কি বললো সেটা একটু পড়ে ভাবলেও চলবে। তাই বলে নির্বিকার হবে না।
• একটানা অনেক ম্যাচ খেলতে হতে পারে। অমানুষিক শারীরিক কষ্ট সহ্য করার জন্য সবসময় তৈরি থাকতে হবে।
• দলের ওপর কোনও রকম নাক গলানো যাবে না। সবাই তার মতো জায়গা পাবে। একইসঙ্গে মাঠে ভয় পেলে চলবে না। আর ফিল্ড সাজানোর সময় আমার দিকে চোখ রাখতে হবে।

একনজরে মহেন্দ্র সিং ধোনি
পুরো নাম: মহেন্দ্র সিং ধোনি
ডাকনাম: মাহি
জন্ম: ১৯৮১ সালের ৭ জুলাই
ব্যাটিং স্টাইল: ডানহাতি ব্যাটসম্যান
ফিল্ডিং পজিশন: উইকেটকিপার
ওয়ানডে অভিষেক: ২৩ ডিসেম্বর ২০০৪, প্রতিপক্ষ বাংলাদেশ
টেস্ট অভিষেক: ২ ডিসেম্বর ২০০৫, প্রতিপক্ষ শ্রীলংকা
টেস্ট: ৭৭; রান: ৪২০৯; গড় ৩৯.৭০; ক্যাচ: ২১২
ওয়ানডে: ২২৪; রান ৭২৮৬; গড় ৫১.৩০; ক্যাচ ২১১
টি-টুয়েন্টি: ৪২; রান ৭৪৮; গড় ৩১.১৬; ক্যাচ ২১

Monday, March 5, 2018

ব্রণ কি? কেন হয়? মুক্তির উপায়, চিকিৎসা। দূর করার কার্যকর পদ্ধতি এবং আরোগ্যকারী হোমিও চিকিত্সা

যৌবনের একটি অবাঞ্ছিত সমস্যার নাম হচ্ছে ব্রণ। অ্যাকনি ভালগারিস (কিংবা ব্রণ) মানব ত্বকের সাধারণ রোগবিশেষ, যেখানে লালচে ত্বক, প্যাপ্যুল, নডিউল, পিম্পল দেখা যায়। ভীতি উদ্রেকের পাশাপাশি, এটির প্রধান পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া হচ্ছে আত্ম-বিশ্বাস কমে যাওয়া। অতিরিক্ত পর্যায়ে মানসিক অবসাদ এবং আত্মহত্যার মত অবস্থার উদ্ভব হতে পারে। একটি সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, ব্রণের রোগীদের আত্মহত্যার পরিমাণ ৭.১%. (সূত্র-উইকিপিডিয়া )

ব্রণের বিড়ম্বনায় পড়েননি এমন মানুষ কমই আছেন। বিশেষ করে তরুণ- তরুণীরা ব্রণের উৎপাতে বেশি ভোগেন। এই ব্রণ মূলত টিনএজারদের সমস্যা। এ বয়সে যখন মুখের সৌন্দর্যের প্রতি সবাই আকর্ষণবোধ ও প্রয়োজনীয়তা অনুভব করে ঠিক সে বয়সেই মুখে এই বিশ্রী গোটাগুলো দেখা দেয়, যা তাদের অন্যতম দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়ায়।


কোন বয়সে বেশি হয় 

১৩ থেকে ১৮ বছর বয়সে এটি বেশি হয়। তবে ২০ থেকে ৩০ বছর বয়স পর্যন্ত এটি হতে দেখা যায়। টিনএজারদের মধ্যে শতকরা নব্বই ভাগের ক্ষেত্রেই কম অথবা বেশি পরিমাণে এটি হয়ে থাকে। ২০ বছর বয়সের পর থেকে এটি ধীরে ধীরে কমতে থাকে।

বিভিন্ন অবস্থায় ব্রণ

  • ট্রপিক্যাল একনি :– অতিরিক্ত গরম এবং বাতাসের আর্দ্রতা বেশি হলে পিঠে, উরুতে ব্রণ হয়ে থাকে।
  • প্রিমিন্সট্রুয়াল একনি :– কোনো কোনো মহিলার মাসিকের সাপ্তাহ খানেক আগে ৫-১০টির মতো ব্রণ মুখে দেখা দেয়।
  • একনি কসমেটিকা :– কোনো কোনো প্রসাধনী লাগাতার ব্যবহারে মুখে অল্প পরিমাণে ব্রণ হয়ে থাকে।
  • একনি ডিটারজিনেকস :– মুখ অতিরিক্ত ভাবে সাবান দিয়ে ধুলেও ( দৈনিক ১/২ বারের বেশি ) ব্রণের পরিমাণ বেড়ে যায়।
  • স্টেরয়েড একনি :– স্টেরয়েড ঔষধ সেবনে হঠাৎ করে ব্রণ দেখা দেয়। মুখে স্টেরয়েড, যেমন– বটানোবেট ডার্মোভেট জাতীয় । ঔষুধ একাধারে অনেকদিন ব্যবহারে ব্রণের পরিমান বেড়ে যায়।

ব্রণের প্রকারভেদ 

ব্রণের প্রকারভেদ অনেক। তবে সাধারণভাবে যে-প্রকারের ব্রণ হয়ে থাকে তারই বর্ণনা এখানে দেয়া হচ্ছে । এটি লোমের গোড়ায় হয়ে থাকে । ব্রণের মূলে যে জিনিস তার নাম কেমডো ( চাপ দিলে ভাতের দানার মতো বের হয় ), তবে কখনও কখনও শুধু শুধু দানা আকারে, পুঁজ সহকারে গহ্ববরযুক্ত দানা বা বড় গোটার আকারে দেখা দিতে পারে। আবার এক প্রকারের ব্রণ দেখা যায় যাতে চাপ দিলে শক্ত সাদা সুতার মত বেরোয় যাকে অনেকে শালও বলে থাকেন। 


শরীরের কোথায় হয়

সাধারণত মুখে যেমন গাল, নাক, থুতনি ও কপালে হতে দেখা যায়। তবে শরীরের উপরের অংশে ও হাতের ওপরের অংশেও হরহামেশাই হতে দেখা যায়।

ব্রণ হওয়ার কারণ 

বংশগত প্রভাব একটি অন্যতম গুরুত্বপুর্ণ কারণ। স্বাভাবিকভাবেই লোমের গোড়ায় একটি ব্যাকটেরিয়া থাকে, যার নাম প্রোপাওনি ব্যাকটেরিয়াম একনি। বয়ঃসন্ধিকালে এড্রোজেন হরমোনের প্রভাবে সেবাসিয়াস গ্রন্হি থেকে সেবামের নিঃসরণ বেড়ে যায়। এই সেবাম থেকে ফ্রি ফ্যাটি এসিড তৈরি করে লোমের গোড়ার উপস্হিত ব্যাকটেরিয়া। ফলে লোমের গোড়ায় প্রদাহের সৃষ্টি হয় এই ফ্যাটি এসিডের প্রভাবে। এর পাশাপাশি জমা হয় লোমের গোড়ায় কেরাটিন নামক পদার্থ। ফলে সেবাসিয়াস গ্রন্হিপথ বন্ধ হতে থাকে এই কেরাটিন, লিপিড আর মেলানিন পদার্থ দিয়ে, যা ব্লাক হেড বা ‘হোয়াইট হেড’ হিসেবে দেখা দিয়ে থাকে।
ব্রণের সঙ্গে খাওয়ার সম্পর্ক :- অনেকের ধারণা তৈলাক্ত খাবার খেলে বুঝি ব্রণ হয়। সত্যিকার অর্থে কথাটি সত্য নয়। কোন প্রকার খাদ্য দ্রব্যের সঙ্গে ব্রণের কোনো সম্পর্ক আছে বলে জানা যায় না।
ব্রণ ও ক্রিম :- যেসব ক্রিমে তৈলাক্ত উপাদান থাকে যাদের মুখে বেশি ব্রণ হয় তাদের সেসব ক্রিম ব্যবহার করা উচিত নয়। মনে রাখতে হবে ক্রিম যদি তৈলাক্ত হয় তবে তা ব্রণ রোগীদের ক্ষেত্রে ব্যবহার করা যাবে না।
রোগ নির্ণয় :- ব্রণের মাত্রা নিরূপণের কিছু পন্থা আছে,যা নিম্নোক্ত:
  • লিডস গ্রীডিং : সংক্রামতা এবং অসংক্রামতা নির্ধারণ করে(বিস্তার ০–১০)।
  • কুকস গ্রেডিং স্কেল: ছবি ব্যবহার করে মাত্রা নির্ধারণ করে(সবচেয়ে কম ০,সবচেয়ে বেশি ৮)।
  • পিলসবারি স্কেল: মাত্রা নির্ধারণ করে ১ (সবচেয়ে কম) - ৪ (সবচেয়ে বেশি)।

ব্রণ দূর করতে চারটি দারুণ ফেসপ্যাক

কমলার খোসা কমাবে ব্রণ :- কমলা লেবুর খোসা শুকিয়ে মিহি গুঁড়ো করে নিন। চন্দন পাউডার, মুলতানি মাটি, কমলালেবুর খোসার গুঁড়ো মিশিয়ে ভালো করে মিলিয়ে নিন। এই মিশ্রণের মধ্যে দুই চামচ দুধও মিশিয়ে নিতে পারেন। মুখে লাগিয়ে কিছুক্ষণ রাখার পর ধুয়ে নিন। এই প্যাকটা নিয়মিত ব্যবহারে ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়বে, ব্রণের উপদ্রব কমবে, ব্রণের দাগও দূর হয়ে যাবে।
নিম ঠেকায় ব্রণ :- চার/পাঁচটা নিম পাতা ভালো করে ধুয়ে পিষে নিন। এর মধ্যে এক চামচ মুলতানি মাটি, অল্প গোলাপ জল মিশিয়ে প্যাক তৈরি করুন। প্যাকটা যদি গাঢ় হয়ে যায় তাহলে এর মধ্যে গোলাপ জল মিশিয়ে নিন। মুখে লাগিয়ে বেশ কিছুক্ষণ রেখে দিন। প্যাকটা মুখে শুকিয়ে গেলে হালকা পানি দিয়ে মুখটা ধুয়ে ফেলুন। মুখে ব্রণ থাকলে দ্রুত সেরে যাবে। ব্রণ অথাও কমাবে।লবঙ্গ দারুণ 
ফলদায়ক :- লবঙ্গ মূলত মসলা হিসেবে পরিচিত হলেও ব্রণ সারাতে তা খুবই কার্যকর। লবঙ্গের তেল দিয়ে ত্বক মাসাজ করা খুবই উপকারী। ত্বকে ব্রণের সংক্রমণ বেড়ে গেলে লবঙ্গ গুঁড়ো করে তাতে গোলাপজল মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করুন। ব্রণের জায়গাগুলোতে মিশ্রণের মোটা প্রলেপ দিন। ২০ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলুন।
আলোভেরা মানিয়ে যায় সব ধরণের ত্বকে :- আলোভেরা রস নিন নিন এক কাপ। এর সাথে মেশাণ এক টেবিল চামচ পাতিলেবুর রস এবং প্রয়োজন অনুযায়ী চালের গুঁড়ো। মিশ্রণটি মুখসহ পুরো শরীরে লাগান। ২০-২৫ মিনিট মাসাজ করে গোসল করে ফেলুন।

আরোগ্যকারী হোমিও চিকিত্সা 

রোগীর ব্রণ আক্রান্তের গুরুত্ব বিবেচনা করে চিকিৎসা পদ্ধতি নির্ধারণ করতে হয়। উপরে বর্ণিত ফেসপ্যাক অনেকের কাছেই সময় অপচয় বা বিরক্তিকর মনে হতে পারে। তাছাড়া অনেকের ক্ষেত্রে এগুলি ভালো ফলদায়ক নাও হতে পারে। তাই সবচেয়ে ভালো হয় নিশ্চিত আরোগ্যকারী হোমিও চিকিত্সা গ্রহণ করা। ব্রণ সমস্যায় ভুগলে ভালো একজন হোমিওপ্যাথের সাথে যোগাযোগ করে চিকিত্সা নিন। 

Variations on The Word Love

  Variations on The Word Love    By Margaret Atwood           'This is a word we use to plug      holes with. It's the right size fo...